Top 15 Bangla kobita for love

Romantic Bangla kobita or আধুনিক বাংলা কবিতা and kobita photo

Bangla kobita– পড়তে ভালবাসেন ? তাহলে এই Bangla kobita গুলো পড়ুন আপনার মন ছুঁয়ে যাবে প্রতিটি কবিতা। আজ-কালকের Bangla kobita গুলো কেমন যেন হয়ে গেছে। এই কবিতাগুলোও আধুনিক কিন্তু আজগুবি নয় ।


Romantic Bangla kobita

Bangla kobita

Bengali sad poem

কলমিলতা

বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়

কলমিলতা কলমিলতা

তোর কবিতা শুনব বলে

দাঁড়িয়ে আছে বনের ধারে ব্যকুল পাগল

শোনাবি তাকে

কলমিলতা কলমিলতা

কলেজ পারের ঝাঁও বনে

যার বুকে মাথা রেখে কেঁদেছিলি এক ঝর্ণা

পথের বাঁকে

কলমিলতা কলমিলতা

সেদিন তুই উনিশ-কুড়ি

সব ভুলেছিল দশ বছরের আলতা ছাপে

মন্দ মেয়ে

কলমিলতা কলমিলতা

তোর কবিতায় মিথ্যে মায়া

মনের ভেতর কায়ার ছায়া রাখিস তুই

পাঠক চেয়ে

কলমিলতা কলমিলতা

তুই রাতের বেলা পালক খুলিস

এগাছ ছেড়ে ওগাছে গিয়ে জড়িয়ে ধরিস

পরকীয়ায়

কলমিলতা কলমিলতা

তোর সাথে ভাব রাখব না আর

তুইও ওদের মতোই পথের ধারে দাঁড়িয়ে পড়িস

শরীরী ছায়ায়

Bangli kobita

১] কাজল কাজল দিন

তোর ওই চোখের পাতার

পাগলা বনে হারিয়ে গেছে মন

অশ্রু ঢেউ উথাল পাথার

আঁকড়ে আছি কাজল কালো কোন

যেদিন তুই থাকবি না আর

থাকব না আর আমি

বাজবে মেঘে একতারার তার

আকাশ গাঙে দিগন্ত ময় কাজল রেখা টানি

নতুন ভাবে নতুন কায়ায়

আবার হবেরে যেদিন দেখা

যতই গভীরে থাক কবিতা ছায়ায়

দু’চোখ ভরে তুলেই নেবো কাজল কালো লেখা

আজকে না হয় বাজুক বুকে

হাঁড়িয়া সুরে মাতাল মাতাল বীণ

কাটুক রাত সুখের বুকে পেরেক ঠুকে

আমি চোখের তারায় আসতে দেখি কাজল কাজল দিন

Bangla kobita photo

Notun bangla kobita

২] একলা আকাশ

আমার জানালায় একমুঠো একলা আকাশ

ফাঁকা মাঠে চেয়ে দেখি

সাইকেলে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে যায়-

স্মৃতির পাখি দূর থেকে সুদূরের অতীত দিগন্তে।

মাটির ফাটা বুক থেকে রোদ

রোজ যখন সর্পিল ধোঁয়ার মতো রস চুরি করে

আমার একলা ঘরে পরিযায়ী প্রেমিকাদের আত্মা

ছায়ার শরীরে ভিড় করে দেওয়ালের গায়ে।

আমার মনেও রস ছিল বুঝি !

ভিজেছিলাম কোনও এক আম বকুল গন্ধ ভেজা দুপুরে ?

তারপরে ডাহুক ডাহুকী মিলে

পালকের মতো নরম সন্ধ্যার চাদর

মেলে দিয়ে গেছে গাছের পাতায় পাতায়।

ভয়ার্ত চোখে আমি দেখেছি, কতশত অশরীরী

খিল খিল করে হেঁটে চলে যায়

আমার চোখে ধারালো নখে জলের আঁচড় কেটে

ফেলে আসা মেঠো মনের রাস্তায়।

Bangla kobita photo

bangla kobita

৩] ভাঙা বাঁশির গান

বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়

যতেক না বলা সব অভিমানের কথা

একলা পুড়ে স্মৃতির তাপ দিলে

ব্যর্থ প্রেমের হিসেব বিহীন ব্যথা

হু-হু করে তোমার গন্ধ পেলে

এখন তোমার চিরহরিত তলপেটে

রাত্রি জুড়ে সতেজ সবুজ চাষ

আমার ঘুমে ঘুমকাড়ানি কীটে

শান দিয়েছে কঞ্চি বিহীন বাঁশ

গভীর রাতে শরীর সুরার নেশা

জমিয়েছে মধু স্বামীর মৌচাকে

তবুও আমার পঙ্গু ভালবাসা-

পুঁজের ভেতর সুগার খুঁজতে থাকে

বিধবা যেদিন হবে সিঁদুর পরিচয়

সেদিন বৃদ্ধ আমিও পুড়ে শেষ

তবু তোমার সিঁথি স্বামীতেই অক্ষয়

থাকবে না জানি আমার কোনো রেশ

Kobita photo

Bangle kobita

৪] খেয়া ঘাটের মাঝি

বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়

আর কয়েক পা পেরিয়ে গেলে নতুন জীবন

আর একটা হৃদয় পেলে জুড়ে যাবে ভেঙে যাওয়া মন

আমি বর্ষায় পুড়তে থাকা শানবাঁধানো শ্মশানের ঘাটে

এক দুই তিন… কর গুনে গুনে মিত্যু লিখে রাখি

আমি তো খেয়া মাঝি। শুধু এপার হতে ওপার

তোমার এক জীবন বিশ্রাম নেওয়া শেষ…?

অবশিষ্ট কাজটুকু আমার পড়ে থাকে।

কে আর মনে রাখে ? আমি রোজ রাতে দেখি

ধোঁয়ার কুণ্ডলী বেয়ে উড়ে যায় অচিন পাখি আরেক শরীরে।

শৈশব-কৈশোর-যৌবনের বনে মুধু শেষ হলে

শরীরের উঠোনে হামা দিয়ে বার্ধক্য নামে

তারপর…? আমি বাকি পথটুকু পার করে দিয়ে আসি।

যে মেয়েটি গোলাপ হাতে এসে বলেছিল, ‘ভালবাসি, তোমাকেই ভালবাসি’

একদিন নাকে তুলো গুঁজে ধূপের গন্ধ মেখে সারা শরীর ফুলে ঢেকে

ওপারে গেছে। হয়তো উপরে গেছে।

আমি অপেক্ষায় থাকি

যেদিন শ্মশানে আঁতুড়ে মিলন হবে ?

সেদিন আবার শিস দেবে অচিন পাখি।

Bangla kobita

Adhunik bangla kobita

৫] শবযাত্রা

বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়

মাথার উপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে রাত হেঁটে যাচ্ছে

ভেবেছিলাম নতুন জন্ম। পরে দেখি ঘুম ভেঙেছে চোখের পাতায়।

ঘণ্টা খানেক আগে যেটা বুকের থেকে দলা পাকিয়ে গলা দিয়ে বেরিয়ে ছিল!

আত্মা ছিল না ওটা ?

এই শীতের রাতেও ঘাম জেগে থাকে শরীরে। মনে।

মনে ?

মাঝে মাঝে ভাবি মন বলে সত্যিই কোনও বস্তু হয় !

নাকি পুরোটা শরীরের ভুল ? মায়া ? প্রাচীন সংস্কার সংশয় ?

ওরা শুধু ডাকে ইশারায়

বলে, ‘এসো এসো শ্মশানে-কবরে, ভাঙাবুক দেওয়ালে

তুমিও তো দৃষ্টিহীন চোখে পৃথিবী আপন দেখেছিলে।’

যেতে হবে জানি, না যাওয়ার মতো এখানে কোনও সম্পর্ক রাখিনি

কে কার মা ? কার বাবা ? কার স্বামী ? পিতা-ই বা কার ?

সবকিছু মৃত শরীরের শবে রক্তের হাহাকার, এটুকু আজ জেনে গেছি।

তবে কেন যেতে গিয়েও বারবার পিছু ফিরে চাই ?

কেন বারবার মনে হয় আরও আরও আরও দুদণ্ড এখানে দাঁড়াই ?

Bangla kobita photo

bangla kobita৬] দহন

বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়

বুকের ভেতর জ্বলতে থাকা

যত বৃদ্ধ ব্যথার আলো

পুড়িয়ে মারে আজকে আমায়

যেমন পুড়িয়ে ছিল কালও

তবুও আমি চেটেছিলাম

দুটো নোনা নদীর জল

তবুও আশায় জড়িয়ে ছিলাম

স্মৃতির ফুল পরাগ সম্বল

দিনের বুকে পেরেক পিটে

ছিল রাতের সাথে আঁতাত

সুখের মুখোশ ঝলসে পুড়ে

এখন বেরিয়ে গেছে দাঁত

আজ তাই জ্যোৎস্না রাতেও পুড়ি

স্মৃতিপুঁজে বাড়তে থাকে পোকা

এখনো তবু সঠিক নেই জানা

বোকা আমি ঠিক কতটা বোকা

সেদিন কেন এঁকেছিলাম ঘর

কেনই বা এঁকেছিলাম শিশু

আজ তাই বিদ্ধ প্রেমের ক্রুশে

দাঁড়িয়ে আছি জীবন্ত লাশ যীশু

Bangla kobita photo

bangla kobita

৭] আরেক মানচিত্র

            বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়

ঝুপড়ির অন্ধকারে মা হবার যে মানচিত্র একদিন

নগ্ন তলপেট উপকূলে দেখেছিলাম, সে ইতিহাসের

বাস্তবায়ন বর্তমান জরায়ু পথ পিছলে

ইন্টারনেট রাস্তা দিয়ে সস্তার মোবাইলেও ভাইরাস ।

উন্নতির উর্বর আকাশ, বিশ্বায়নে নিমগ্ন পরীরা

খুলে দিয়েছে ডানা । আজ সব ঘুমন্ত শিশ্ন শিশু

দাঁড়িয়েছে কামরূপ কামাখ্যা মন্দিরে

জঠরে তাদের সাদা-সাদা অ্যাসিড ।

একটাও ফুল নেই তাদের হাতে, যেন ছিল না কখনও

আবার কোন সর্পিল সন্ধ্যা কিম্বা দিব্য আলোকে

যখন সূর্য-তারা-চাঁদ ঝাপ ফেলবে চোখের পাতায় ?

বিরুদ্ধ শরীরী বসন্তের ঝড়ে ফুটে উঠবে

নারী নগ্ন উরু সঙ্গম জঙ্গল মহলে আরেক মানচিত্র

Kobita photo

bangla kobita

৮] নিয়তি

বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়

মাতৃগর্ভে আসার প্রথম রাতে ভিতু মেয়েটি বলেছিল মৃদুসুরে

-‘মা শেয়াল গুলোকে চুপ করতে বল। আমার যে ভয় ভয় করে।’

মায়ের নাড়ি আঁকড়ে মেয়েটি সারারাত জেগেছিল সেদিন

মেয়েটি ভয়ে ভয়ে জেগেছিল দশমাস দশদিন।

প্রতম আলোয় এসে ডুকরে কেঁদে বলেছিল সে, -‘এত কালো কেন আমার আকাশ ?

কেন সারা পৃথিবী ছড়িয়ে মুঠো মুঠো গুমোট দীর্ঘশ্বাস ?’

তারপর একলা পুতুল খেলায় অবেলায় বেলা বয়ে গেছে বৈরাগী গানে

পুরুষ পুরুষ স্বপ্নগুলো মাঝরাতে এসে মই দিয়ে গেছে শরীরের পাকা ধানে।

পালকের মতো হালকা হাওয়ায় ভেসেছে স্কুল কলেজের হলুদ বিকেল গুলো

সিঁদুর জীবন দিল না তো কেও কত জন এল গেল।

এখন শরীরের রঙ দুচোখে মাখানো, দিন যাপনে গীতবিতান জেগে থাকে

যদি ভুল করে কোনও পথভোলা পথিক শরৎ মেঘে ডাকে।

আজও জীবনের বাসর ফুলদানি দিয়ে সাজাতে মেয়েটি নিজেরি পাপড়ি ছাঁটে

অনিবার্য নয় তবুও নিয়তি প্রতিদিন রাতে এক নতুন শেয়াল গরম স্বপ্ন চাটে।

bangla kobita

৯] কালের কণ্ঠ

বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়

ওরা ইদানীং রোজ রাতে ডাকে আমায়

বলে, ‘আয় চলে আয় শ্মশানে কিংবা কবরে।’

সকালের আলোয় ওরা অদৃশ্য। বোবা। বধির।

ওরা প্রেত বন্ধু আমার।

কবেই মরে ভূত হয়ে গেছে।

ওদের শ্মশানের কয়লা, ময়লা কাপড়, ছেঁড়া জুতো

সব নিয়ে গেছে কারা যেন।

কারুর কবর খুবলে খেয়েছে শেয়ালে

ওদের শরীর এখন শুকনো ঘাস।

ওরা ধর্মপ্রাপ্ত বন্ধুছিল আমার।

টিকি দাড়ি ছাড়া কিছুই শেখেনি পাঠশালায়

নিরালায় বসে লেখেনি একটাও প্রেমের কবিতা।

আঁকেনি প্রকৃতির ছবি

যারা বলেছিল, পৃথিবী ঘুরছে সূর্য স্থির।

অস্থির হয়ে মেরেছে তাদের।

যারা গেয়েছিল, রবির গান কিংবা শুনিয়েছিল বিজ্ঞানের গল্প

তাদেরো মেরেছে একে একে।

এতদিন ওদের ভয়ে

আমি কলমটারে লুকিয়ে রেখেছিলাম পাঁজরার কড়িকাঠে।

তবে আর নয়, অনেক হয়েছে বাঁচা ভয়ে ভয়ে।

আমি জেনেছি ওরা আলো ভয়পায়। অক্ষর ভয় পায়।

ভয়পায় বর্ণপরিচয় কথামালা বোধোদয়

ওরা প্রেত বন্ধু আমার

ওরা ভুলে গেছে জীবন্ত সূর্যের উদয়

কায়াহীন ধর্মান্ধ শরীরে ওরা আজও অন্ধকার চিবিয়ে খায়

মুঠোমুঠো রক্ত দিয়ে ওরা ধর্মের গঙ্গা বানায়

আমি শান দিচ্ছি কলমে আমার

অন্তত কয়েকটা আলোক শিশু লিখে যাব অন্ধকার বুক চিরে।

হয়তো বা আজরাতে ওরা তোমাকেও বলতে পারে

‘আয় চলে আয় শ্মশানে কিংবা কবরে।’

এটাই তোমারো শেষ সুযোগ বন্ধু

তুমি কি শান দিয়ে রেখেছ তোমার নির্ভীক প্রতিবাদী কলমটারে।

Bangla kobita

bangla kobita
১০] আসামী যেদিন আমি

বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়

১২-ই ফাল্গুন

শেষ পর্যন্ত সবার সন্দেহটাই মিলে গেল। মায়ের ব্রেন ক্যান্সার।

বিশ্বাস করুণ ত্রুটি রাখিনি চিকিৎসার। জমি থেকে ঘটি বাটি

যা ছিল সব হয় বন্ধক নয় বিকিয়ে গেল। মূর্খ নই বেকার বলে

জানতাম বাঁচবে না। তবু যে মা। যখন ঘোরের ভেতরে

মা ভুল বকত, দেখত বাবা এসে দাঁড়িয়ে আছে বিছানার ধারে।

দুহাত বাড়িয়ে নাকি ডাকত বাবা। কিংবা যখন যন্ত্রণায় মুক্তি

চেয়ে মা বলত, ‘হে কৃষ্ণ এবার নাও আর যে সহ্য হয় না’

তখন মায়ের দু’চোখ দিয়ে জল ঝরত দরদর করে।

ঘরে ফাটা পয়সা ছিল না আর। মায়ের চিকিৎসার কেমোথেরাপি খরচ,

ওষুধ, ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার গাড়ি ভাড়া, কিচ্ছু ছিল না।

তারাদের দিকে তাকালে দেখতে পেতাম- পড়ন্ত বিকেলে

মা চাপা কলের থেকে জল নিয়ে আসছে কলশি ভরে। কপালে

ঝিক ঝিক করছে সিঁদুরের টিপ। আমার খুব কান্না পেত।

আমি সারা রাত জেগে মায়ের যন্ত্রণাকাতর ঘুমন্ত মুখের দিকে

তাকিয়ে স্মৃতি সঞ্চয় করতাম। আগামীর একলা পথের জন্য।

২১-শে আষাঢ়

সকাল নটা নাগাদ মা নাকে তুলো গুঁজে ধূপের গন্ধ ছড়িয়ে

শেষ বার পায়ের পাতায় আলতা মেখে জীবনের ওপারে চলে গেল।

কয়েকটা মেঘ মাথায় নিয়েও যখন মায়ের নাভি মণ্ডল পুড়ে ছাই

তখন বিকেল চারটা পেরিয়ে গেছে। শুনলাম তিন পোয়া দোষ পেয়েছে মা।

চণ্ডীপাঠ করাতে হবে। সব কাজ যেদিন শেষ হল

তখন আমার নিজের ঠিকানা বলেও কিছুই রইল না। শেষ আশা

নিশা কবেই জানিয়ে গেছে, -‘বাবা সরকারি চাকরি করা ছেলে চায়।’

২৫-শে আষাঢ়

মেঘলা বিকেলে বেরিয়ে গেলাম রূপসীবাংলা এক্সপ্রেস ধরে খড়গপুর

ট্রেনেই পরিচয় হল কাদের ভাই এর সাথে। কাদেরভাই সেদিন আমার

বিনা টিকিটের ফাইন ভরে ছিল। তাঁর হাত ধরেই চাকুলিয়া এসেছিলাম।

তারপর ?

বিশ্বাস করুণ আমরা কেওই মানুষ মারব বলে জন্মাইনি।

অভাব অজুহাত স্বভাব যাই বলুন। বিশ্বাস করুণ বা নাই করুণ সত্যি সেদিন

মানুষ মারতে বোম ছুড়িনি। আমরা গুলিও চালাতাম না যদি না পুলিশ

মিথ্যে জালে কাদের ভাইকে ডেকে কপালে মৃত্যু এঁকে দিত। সত্যি

সেদিন চটকলে আমাদের কেও ধর্ষণ করেনি। সেদিন বৃষ্টি ভিজেও

রঞ্জিকা একটা দাবী নিয়ে লোলুপ নেতাদের কাছে গিয়েছিল। ও শুধু আমার

স্বপ্ন সঙ্গিনী ছিল না। ও ছিল কাদেরভাই এর পর আমাদের বিচক্ষণ দলনেত্রী।

যখন চটকল থেকে রঞ্জিকা রাতেও ফিরল না। আমরা গেলাম ভোর রাতে

গিয়ে দেখি রক্ত মাখামাখি রঞ্জিকা নিথর ভাবে ধূলায় পড়ে আছে।

সেদিন থেকেই বোবা দুটো চোখ দুমড়ে মুচড়ে গেছে জ্বলন্ত জীবন যন্ত্রণায়

১২-ই কার্তিক

আমার বন্ধুক থেকে তিনটা বুলেট চেটেছিল তিনটা কদর্য কপাল

ওই ছিল আমার প্রথম প্রতিশোধ। দূরের জঙ্গল দিকে চাইলেই যে দেখতাম

রঞ্জিকা সাঁওতাল শিশুদের বন্দুকের বর্ণপরিচয় শিক্ষা দিতে ব্যস্ত। ঝাপসা হয়ে

আসত আমার দু’চোখ। তারপর গোগ্রাসে হাঁড়িয়া গিলে টলে টলে

চলে যেতাম নদীটার ধারে। ডুবন্ত সূর্য টাকে দেখে মনে হত

মায়ের কপাল রাঙিয়ে যাওয়া সেই সিঁদুরের টিপ।

দূরের শেয়ালের সুরে পা ফেলে যখন সন্ধ্যা নামত কাজুবাদাম জঙ্গলে!

মনে পড়ত গ্রামের কথা, মায়ের কথা, নিশার কথাও।

২২-শে কার্তিক

কুন্তলের সাথে ভাত খেতে বসেছি সবে। সেদিনই ছিল আমাদের

আত্ম সমর্পণ করার দিন। নিজে এসে ধরা দিলে চাকরি। সঙ্গে নাকি

শাস্তিটাও মোকুব হয়ে যাবে। কিন্তু! মিনিট কয়েক বাদে কুন্তলের কপাল

বেয়ে রক্তের ধারা গড়িয়ে নামলো ভাতের থালায়। প্রায় তিন ঘণ্টা

গুলি ছোড়া ছুড়ি করে যখন অবশিষ্ট আমরা তিনজন শহীদ হতে বাকি

ওপার থেকে ভেসে এলো সমাচার আত্মসমর্পণ। নিরুপায় তখন

তাই একে একে ধরা দিলাম অন্ধ বিচারের বন্ধ পিঁজরায়। ধিক্কারে।

তারপর ?

২৪-শে কার্তিক

প্রবীণ বিচারক রায় দিলেন ৩০২ নং ধারায় কলমের করুণ মুখ ভেঙে।

ওরা কাঁদল। আমি হাসলাম। উন্মাদের মত হো হো করে হাসলাম।

উচ্চ আদালতে মাথা ঠুকিনি আর। এটাই আমার দারিদ্রতার শ্রেষ্ঠ বিচার।

১৫-ই অঘ্রাণ

কালকেই মিটে যাবে অভাবের যত নিদারুণ নির্মল জ্বালা। তাই তো

আমি এখনও হাসছি ধীর পায়ে এগিয়ে আসছি ফাঁসির দড়ির দিকে।

আমি ক্ষুদিরাম কিম্বা ভগৎ সিং নই যে আপনারা চিরদিন মনে রেখে দেবেন

জানি আমি,- দুদিন আমাদের নিয়ে শুধু ব্রে-কিং নিউজ তারপর পত্রিকাতেও ফিকে।

১৬-ই অঘ্রাণ

এখন দুহাত পিছনে বাঁধা। পাশে বিমর্ষ ফাঁসুড়েকে দেখা যায়।

গলার দড়িতে প্রিয় কলার গন্ধ পাচ্ছি পরিষ্কার।

কালো কাপড়ে মুখটাও এবার ঢাকা পড়ল। গলাটা বন্ধ হয়ে আসছে গরম নিশ্বাসে।

সামনে কেও নেই। অন্ধকার। বিশ্বাসে দাঁড়িয়ে আমার মা। হাত নাড়িয়ে ডাকছে আমায়।

bangla kobita– নিয়ে আমাদের গর্বের শেষ নেই কিন্তু সেই গর্বের bangla kobita যেন গোধূলি বেলায় হারিয়েছে দূরের বাবলা জঙ্গলে। কিছু bangla kobita শুধু দাঁড়িয়ে আছে একটু পরিচিতি পাব বলে। আসুন হাতে হাতে গড়ে তুলি bangla kobitar তপোবন। bangle kobita বাংলার সম্পদ, bangla kobita বাঙালীর সম্পদ।

Related article

bangla premer kobita

bangla romantic quotes

18 bangla romantic kobita

ekusher kobita

shesher kobita

bangla picture message

bangla kobita love

valobashar kobita

prem bangla kobita

bangla kobita blog

bangla romantic sms

Download bangla Shayari

bangla sms kobita

bangla love sms

bangla love poem

valobasar kobita

bangla romantic Shayari veletine

Bangla koster kobita

bangla premer kobita collection

Very sad shayari

love kobita

bangla valobashar kobita

bangla sms

premer kobita

bangla love poem romantic

bangla love sad sms

Bangla sad shayari

Bangla very sad sms

Bengali sad shayari photo

Bengalishayari

Recent Posts

Adhunik Bangla kobita 1970-2020

Bangla kobita আশির দশক থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিভিন্ন ধারায় প্রবাহিত। বাংলা কবিতার দিক বদল হয়েওছে একাধিক শক্তিশালী কবির হাত ধরে।… Read More

5 days ago

Bengali Ghost story book pdf free download

Ghost story books pdf -All time best bengali ghost story. bengali ghost story books pdf free download - all time… Read More

1 week ago

Top five rabindranath tagore poems

Top five rabindranath tagore poems  when you cry must read Rabindranath Tagore poem. Rabindranath Tagore was a poet-philosopher who inspired a whole generation through his… Read More

1 week ago

All time best Bengali quotes on friendship

All time best Bengali quotes on friendship Bengali quotes on friendship - অনেকগুলো সেরা friendship quotes দিলাম প্রতিটাই Bengali quotes on friendship. বন্ধু মানেই যেন আবেগ… Read More

2 weeks ago

Love kobita Bangla প্রেমের কবিতা

Love kobita bangla:- Romantic Bangla Kobita or love Kobita Bangla is very popular for every lover. we know about romantic… Read More

4 weeks ago

Free download Bengali Shayari photos

Need New Bengali Shayari photo ? We have posted here so many wonderful and fresh bengali shayari photo with new photo… Read More

4 weeks ago